ডেঙ্গু ও সাধারণ জ্বরে ভুলেও ব্যথানাশক (NSAIDs) নয় কেন? বাংলাদেশে বর্ষা বা মৌসুমি পরিবর্তনের সময় ঘরে ঘরে জ্বর ও ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায়। জ্বর বা তীব্র শরীর ব্যথায় অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে ব্যথানাশক বা পেইনকিলার (যেমন—আইবুপ্রোফেন, নেপ্রোক্সেন, ডাইক্লোফেনাক বা অ্যাসপিরিন) কিনে সেবন করেন।
এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক! ডেঙ্গু ভাইরাস মানবদেহের রক্তের প্লাটিলেট (Platelet) কমিয়ে দেয়। এই অবস্থায় NSAID জাতীয় পেইনকিলার সেবন করলে পাকস্থলী বা শরীরের অভ্যন্তরে মারাত্মক রক্তক্ষরণ (Internal Bleeding) হতে পারে, যা রোগীর জীবন বিপন্ন করতে পারে।
💡 সঠিক ও নিরাপদ সেবনবিধি ১. নিরাপদ একমাত্র ওষুধ: প্যারাসিটামল (Paracetamol) জ্বর ও তীব্র শরীর ব্যথার জন্য প্যারাসিটামলই সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ।
সেবন মাত্রা: একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দিনে ৫০০ মি.গ্রা.-এর ২ থেকে ৩টি ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন। (২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম বা ৮টি ৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটের বেশি কখনই নয়)।
শিশুদের ক্ষেত্রে: ওজন অনুযায়ী তরল প্যারাসিটামল সিরাপ মেপে খাওয়াতে হবে।
২. প্রচুর পানি ও স্যালাইন পান করুন ডেঙ্গু জ্বরে রক্তনালী থেকে ফ্লুইড বের হয়ে যায়, যাকে বলা হয় 'প্লাজমা লিকেজ'।
পরামর্শ: প্রতিদিন অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার তরল (খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস ও স্যুপ) পান করুন।
৩. অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ (Viral Fever)। এতে অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজ করে না। চিকিৎসকের নির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা সম্পূর্ণ অনুচিত।
🛑 যে ওষুধগুলো কঠোরভাবে বর্জনীয়